Hazaat Premium Ghee ( প্রিমিয়াম ঘি)
800.00৳ – 1,600.00৳ Price range: 800.00৳ through 1,600.00৳
Hazaat Premium Ghee : ঘরোয়া বিশুদ্ধতার অনন্য স্বাদ
বর্তমানে বাজারে অনেক ধরনের ঘি পাওয়া যায়, তবে Hazaat প্রিমিয়াম ঘি তার স্বাদ, গুণমান ও বিশুদ্ধতার কারণে ভোক্তাদের মাঝে একটি আলাদা স্থান করে নিয়েছে। এটি মূলত দেশি পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত ঘি, যার প্রতিটি ফোঁটায় মিশে আছে ঘরোয়া ঐতিহ্য ও প্রকৃতির স্নেহ।
স্বাদ ও গন্ধ: Hazaat প্রিমিয়াম ঘির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ঘন, মোলায়েম স্বাদ এবং মনমুগ্ধকর ঘ্রাণ। রান্নায় এটি ব্যবহার করলে খাবারে এক অনন্য ঘ্রাণ ও ঘরোয়া স্বাদ যুক্ত হয়, বিশেষ করে খিচুড়ি, পোলাও কিংবা ডাল ঘি দিয়ে পরিবেশন করলে স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়।
উৎপাদন প্রক্রিয়া ও বিশুদ্ধতা: এই ঘি প্রস্তুত করা হয় খাঁটি গরুর দুধ থেকে, ঐতিহ্যবাহী বিলোনি পদ্ধতিতে। এতে কোনও প্রিজারভেটিভ, রঙ বা কৃত্রিম ঘ্রাণ মেশানো হয় না, যা একে বাজারের অনেক বাণিজ্যিক ঘি থেকে আলাদা করে তোলে। এই ঘি স্বাস্থ্যকর এবং দেহের জন্য উপকারী উপাদানে সমৃদ্ধ।
ঘি এর উপকারিতা:
ঘি’তে প্রয়োজনীয় ফ্যাট দ্রবণীয় ভিটামিন ডি, কে, ই এবং এ রয়েছে। এই উপাদানগুলো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ দেহের বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে। ঘি শরীরকে অন্যান্য খাবার থেকে চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় খনিজ এবং ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে এবং আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
নিয়মিত ঘি খেলে ভিটামিন-মিনারেলসের ঘাটতি পূরণ হওয়ার পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণও বাড়ে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর ফ্রি-রেডিক্যাল বা টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। এতে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে।
ঘি খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে, কারণ এতে আছে বুটিরিক অ্যাসিড। এটি হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। ফলে বদহজম, গ্যাস-অম্বল হওয়ার আশঙ্কা কমে।
ঘি খেলে দেহের তাপমাত্রা বাড়ে। এজন্য শীতকালে ঘি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের একটি উৎস ঘি। এই উপাদান হাড় ও জয়েন্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ ছাড়া ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, তা জয়েন্টের জন্য প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি আর্থ্রাইটিস ও হাড়ের যেকোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে। যাদের জয়েন্টের সমস্যা আছে, তারা খাদ্য তালিকায় ঘি রাখতে পারেন।
ঘিতে থাকা ওমেগা-৬ ও ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড নার্ভের কার্যক্ষমতা ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। এই পুষ্টি উপাদান ডিমেনশিয়া ও অ্যালঝাইমারের মতো মস্তিষ্কের রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত ঘি খেলে শরীর ভেতর থেকে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ত্বকের ভেতরে কোলাজেনের উৎপাদনও বেড়ে যায়। ফলের ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বাড়ে। ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়ে আদ্রতা বজায় থাকে।
খালি পেটে ঘি খেলে শরীরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের মাত্রা বাড়তে থাকে, যা রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্টের কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
ঘি’তে ভিটামিন এ থাকে, যা চোখের জন্য ভালো। গ্লুকোমা রোগীদের জন্য উপকারী।
ঘি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ভাইরাস, কাশি প্রভৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করে।
সতর্কতা:
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে দুই চা-চামচের বেশি ঘি খাওয়া উচিত নয়। আবার ঘি খেলে সেদিন অন্যকোনো তেলজাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও কিডনির গুরুতর সমস্যা আছে, তারা ঘি খাওয়ার ব্যাপারে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে তবেই খাবেন।
| Weight |
1KG ,500gm |
|---|
ডেলিভারি চার্জ:
ঢাকা সিটির মধ্যে - ৬০ টাকা
ঢাকা সিটির পাশে - ১০০ টাকা
ঢাকার বাহিরে - ১২০ টাকা

Reviews
There are no reviews yet.