Tin Fol ( ত্বীন ফল )
2,500.00৳ Original price was: 2,500.00৳ .1,550.00৳ Current price is: 1,550.00৳ .
Tin Fol ( ত্বীন ফল ) বাংলাদেশে ডুমুর হিসেবেই বেশি পরিচিত। ইংরেজিতে ত্বীন ফলকে বলা হয় The Fig। বৈজ্ঞানিক নাম ficus carica L., (Moraceae)। genus ficus। সৌদি আরবে এই ফলকে ত্বীন নামে ডাকলেও ভারত, তুরস্ক, মিসর, জর্দান ও যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশে এটি আঞ্জির নামে পরিচিত।
Tin Fol ( ত্বীন ফল ) বলতে মূলত ডুমুর ফলকে বোঝানো হয় যা ইংরেজিতে “Fig” নামে পরিচিত। এটি একটি মিষ্টি ও রসালো ফল এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Ficus carica. বাংলাদেশে এটি ডুমুর বা মিষ্টি ডুমুর নামে পরিচিত। ত্বীন ফল (Tin Fol) প্রাচীনকাল থেকেই জনপ্রিয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে বেশি পাওয়া যায়।
পুষ্টি গুণাবলী:
ডুমুরে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১, ভিটামিন বি ২, ছাড়াও প্রায় সব রকমের জরুরি নিউট্রিশনস যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, সোডিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম ইত্যাদি আছে। ভিটামিন-এ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাবজনিত রোগে এটি বেশ কার্যকরী। কার্বোহাইড্রেট, সুগার, ফ্যাট, প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাবিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন ছাড়াও বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ডুমুর। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি ডুমুরের অনেক ওষধী গুণও রয়েছে ।
এছাড়াও ডুমুর কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়, ওজন কমানো, পেটের সমস্যা দূর করা এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখাসহ নানা উপকার করে। মৃগীরোগ, প্যারালাইসিস, হৃদরোগ, ডিপথেরিয়া, প্লীহা বৃদ্ধি ও বুকের ব্যথায় ডুমুর কার্যকরী। ডুমুর শরীরে এসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। শরীরে পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। ডুমুর ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ডুমুর গাছের কষ পোকার কামড় বা হুল ফুটানো ব্যথা নিরাময়ে কার্যকরী।
Tin Fol ( ত্বীন ফল ) এর যত উপকারিতা:
ক্যানসার প্রতিরোধ করে
মরণব্যাধি ক্যানসার দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। সচেতন রোগীর প্রাথমিক অবস্থায় রোগ ধরা পড়লে যথাযথ চিকিৎসায় ক্যানসার পুরোপুরি সেরে যেতে পারে অথবা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়। এজন্য আপনি প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি ত্বীন ফল খেতে পারেন। ত্বীন ফল ক্যানসারের জন্য খুবই উপকারী। গবেষণায় উঠে এসেছে, যেসকল নারীরা তাদের ডায়েটের অংশ হিসেবে রোজ ত্বীন গ্রহন করেন তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কম। মূলত ত্বীন -এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কোলন ক্যানসার রোধেও ত্বীন ফল বেশ কার্যকর।
কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে
রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি মানে হৃদপিণ্ডের ঝুঁকি। তাই রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। ত্বীন ফলের ফাইবার শরীরে দ্রুত শোষিত হয়। এর ফাইবার দ্রুত দ্রবীভূত হয়ে করতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়াও ত্বীন ফলে বিদ্যমান পেকটিন কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
ক্যালসিয়াম,পটাসিয়াম,আয়রন ও জিংক সমৃদ্ধ ত্বীন-কে যৌন পরিপূরক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম,যা সেক্স হরমোন ও এস্ট্রোজেন ও এন্ড্রোজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। ত্বীন ফল নারী ও পুরুষের বিভিন্ন ধরনের যৌন সমস্যা সমাধান করে এবং যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে। এর সুফল পেতে সারারাত দুধের মধ্যে ত্বীন ফল ভিজিয়ে রেখে সকালে পান করুন।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
উচ্চরক্তচাপ জনিত সমস্যায় যদি ভুগে থাকেন তবে নিয়মিত ত্বীন ফল গ্রহণ আপনার রক্তচাপ আশানুরূপভাবে কমতে শুরু করবে। ত্বীন ফলে প্রচুর পরিমাণ পটাসিয়াম বিদ্যমান। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
হজমে সাহায্য করে
ত্বীন ফলে বিদ্যমান উচ্চ ফাইবার আপনার হজমকে উন্নত করবে। এটি বিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রেহাই দেয়। ত্বীন ফল ডায়ারিয়া নিরায়মেও কাজ করে এবং সম্পূর্ণ হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে। হজমকে উন্নত করতে নিয়মিত ২-৩টি ত্বীন ফল পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে পান করুন। এর সাথে চাইলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন।
রক্তস্বল্পতা দূর করে
ত্বীন ফলে আয়রনের প্রাচুর্য্য আপনার শরীরের রক্তস্বল্পতা ও আয়রনের ঘাটতি পূরন করবে। নারীদের দেহে আয়রনের পরিমাণ সঠিক রাখা একান্ত গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায়ও মায়ের দেহে আয়রনের পরিমাণ নিশ্চিত করতে পারে ত্বীন ফল। এতে উপস্থিত আয়রনের কার্যকারিতা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ ও দূর করতে সাহায্য করে।
হাড়কে করে তুলবে মজবুত ও শক্তিশালী
হাড়ের সুস্থতায় ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানটি আমাদের দেহে উৎপাদন হয় না। তাই একমাত্র খাদ্যাভাসের মাধ্যমেই শরীরে এর চাহিদা পূরন করতে হয়। ত্বীনে মজুত ক্যালসিয়াম আপনার দেহে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরন করে হাড়কে করে তুলবে মজবুত ও শক্তিশালী। এছাড়াও এটি পটাসিয়ামের ভাল উৎস হওয়ায় হাড়ের ক্ষয় রোধেও উপকারী।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
বিস্ময়কর হলেও সত্যি যে, এই অসাধারণ ফলটি ওজন কমাতে যেমন সাহায্য করবে তেমনি চর্মসার ব্যক্তির জন্যও বয়ে আনবে সুসংবাদ। ত্বীন ফলের উচ্চ ফাইবার দেহের অতিরিক্ত ক্যালোরি হ্রাস করতে সক্ষম। আবার এই ফল বেশি পরিমানে খেলে এর উন্নত পুষ্টি উপাদান ওজন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তাই স্থুল ও রোগা উভয়ের জন্যই এটি আশীর্বাদ স্বরূপ।
অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট গুণসম্পন্ন
ত্বীন ফলের রয়েছে অসাধারণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্ষমতা। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্রিয়া আপনার শরীরকে জীবাণু মুক্ত রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে। এছাড়াও প্লাজমার লিপোপ্রোটিন বৃদ্ধিতেও এর বেশ সুনাম রয়েছে।
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
ত্বীন ফলটি নিয়মিত গ্রহণের মাধ্যমে আপনার দৃষ্টি ক্ষমতাকে উন্নত করতে পারেন। ম্যাকুলার অবক্ষয়ের কারনে বয়স্কদের দর্শন শক্তি লোপ পায়। এতে উপস্থিত ভিটামিন এ ম্যাকুলার অবক্ষয় রোধ করে এবং দৃষ্টি ক্ষমতাকে উন্নত করে। এছাড়াও রেটিনাল ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সক্ষম এই ফল।
ত্বকের সৌন্দর্যে
বাড়তি বয়সের ছাপ হিসেবে মুখে ফুটে উঠে বলিরেখার মত যত সমস্যা। এক গবেষণায় জানা যায়, ত্বীন ত্বকের বলিরেখা দূর করতে বেশ কার্যকর। এটি ত্বকে গভীর থেকে কাজ করে ফলে ব্রণ ও ব্রনের দাগ দূর করতেও এর জুরি নেই। ভিটামিন সি এবং এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্রিয়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ত্বককে সুন্দর ও কোমল করে তুলে।
চুলের পরিচর্যায়
কেবল সুস্বাস্থ্যেই নয়, চুলের যত্নেও ত্বীন এর বিকল্প নেই। চুল পরা কমাতে ও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে এটি। কারন এতে আছে চুলের জন্য উপকারী ভিটামিন সি,ই ও ম্যাগনেসিয়াম। চুলের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে এর খ্যাতি বেশ পুরোনো। এটি স্ক্যাল্পের ময়েশ্চার ধরে রাখে।
গলা ব্যাথা দূর করে
গলা ব্যাথা কমাতে সহায়তা করবে ত্বীন ফল। এটি গলা ব্যাথা কেবল উপশমই করে না, তা প্রতিরোধেও কাজ করে। এটি ভোকাল কর্ডের জন্যও বেশ উপযোগী। টনসিলের নিরাময়েও ব্যবহার করা হয় ত্বীন ফল।
ব্যবহার:
ত্বীন ফল কাঁচা বা শুকনো উভয় অবস্থাতেই খাওয়া যায় এবং এটি বিভিন্ন মিষ্টি ও সুস্বাদু খাবারে ব্যবহার করা হয়।
কোথায় পাওয়া যায়:
ত্বীন ফল সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল এবং কিছু উষ্ণ আবহাওয়ার দেশে পাওয়া যায়. বাংলাদেশে এটি স্থানীয়ভাবে এবং সুপারশপগুলোতেও পাওয়া যায়।
কুরআনে উল্লেখ:
ত্বীন ফলের কথা পবিত্র কুরআনেও উল্লেখ আছে।
ডেলিভারি চার্জ:
ঢাকা সিটির মধ্যে - ৬০ টাকা
ঢাকা সিটির পাশে - ১০০ টাকা
ঢাকার বাহিরে - ১২০ টাকা

Reviews
There are no reviews yet.